মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আনসার ও ভিডিপির দায়িত্ত্ব.

আনসার ও ভিডিপির দায়িত্ত্ব :

১। দেশের সাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সাহায্য করা আনসার ও ভিডিপির দায়িত্ব ।

২। দেশের আভন্তরীন গোলোযোগর সময় পুলিশ বাহিনীকে সাহায্য করা।

৩। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সমূহ পাহাড়া দেওয়া আনছার ও ভিডিপির দায়িত্ব ।

৪। নির্বাচনকালীন সময়ে বিভিন্ন কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষা করা আনছার ও ভিডিপির দায়িত্ব ।

৫। দূর্গাপুজা কালীন সময়ে পুজা মন্ডবের নিরাপত্তা রক্ষা করা।

৬। দেশের উন্নায়ন মূলক কাজে সাহায্য করা।

 

ইতিহাস

১৯৪৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আনসার বাহিনী প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং তৎকালীন পূর্ববাংলা আইন পরিষদে আনসার এ্যাক্ট অনুমোদিত হলে ১৭ জুন ১৯৪৮ সালে তা কার্যকর হয়।  তখন থেকে এ বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত হতো। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধকালে দেশের সীমান্ত ফাঁড়িগুলোতে আনসারদের প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর) এর শপথ গ্রহণ শেষে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে আনসার প্লাটুন কমান্ডার ইয়াদ আলীর নেতৃত্বে ১২ জন আনসার বাহিনীর সদস্য গার্ড অব অনার প্রদান করে। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে আনসার বাহিনীকে বিদ্রোহী আখ্যায়িত করে বিলুপ্ত করা হয়। প্রায় ৪০ হাজার রাইফেল নিয়ে আনসার সদস্যরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়। যুদ্ধে আনসার বাহিনীর ৯ জন কর্মকর্তা, ৪ জন কর্মচারী ও ৬৫৭ জন আনসারসহ সর্বমোট ৬৭০ জন শহীদ হন। বাহিনীর ১ জন বীর বিক্রম এবং ২ জন বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।  স্বাধীনতা উত্তরকালে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ঢাকার অদূরে সাভারে আনসার বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ১৯৭৬ সালে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল (ভিডিপি) ও ১৯৮০ সালে শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে এ দুটি বাহিনীই আনসার বাহিনীর সঙ্গে একীভূত হয়। ১৯৭৬ সালে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে জাতীয় আনসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (এনএটিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৩ সালে এর নামকরণ হয় আনসার ট্রেনিং স্কুল। ১৯৮৬ সালে আনসার ট্রেনিং স্কুলকে আনসার একাডেমিতে উন্নীত করা হয়। ১৯৯৫ সালে এর নামকরণ হয় আনসার-ভিডিপি একাডেমি। বাহিনী বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে আনসার বাহিনী আইন-১৯৯৫ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার আইন ১৯৯৫- দ্বারা, যা সংসদ কর্তৃক গৃহীত হলে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভ করে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ হতে কার্যকর হয়। এ দুটো আইন অনুসারে সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আনসার বাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী।

 

সাংগঠনিক কার্যক্রম:

গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫.৬ মিলিয়ন যার শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা। প্রতিটি ভিডিপি ইউনিট সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ নিয়ে গঠিত। প্রতিটি গ্রামের জন্যেই, এক প্লাটুন পুরুষ এবং এক প্লাটুন মহিলা সদস্য থাকে অনুরুপভাবে, বাংলাদেশের প্রতিটি মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি পুরুষ ও একটি নারী প্লাটুন থাকে।ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃত্বে, প্রতিটি ইউনিয়নে একটি পুরুষ ও একটি নারী ইউনিয়ন লিডার থাকে। বাংলাদেশ আনসার এর ডিরেক্টর জেনারেল গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীরও প্রধান হয়ে থাকেন। বর্তমানে প্রধানের দায়িত্বে আছেন মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান খান

 

বিস্তারিত: http://www.ansarvdp.gov.bd/

ছবি


সংযুক্তি

df7b7570dd08201ad8f8935678299ab1.pdf df7b7570dd08201ad8f8935678299ab1.pdf


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter